দেশজুড়ে

সোনাগাজীতে স্কুল ছাত্রীর শ্লী’লতাহানি, ছাত্রলীগ নেতাসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মা”মলা

ফেনীর সোনাগাজীতে ছাত্রলীগ নেতা কর্তৃক স্কুল ছাত্রীর শ্লী”লতাহানির ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মা”মলা করেছে ভিকটিম। সোনাগাজী মডেল থানায় বুধবার রাতে ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নি”র্যা’তন দমন আইনে তিন জনের বিরুদ্ধে মা’মলা দায়ের করে। মা”ম’লায় অভিযুক্তরা হলেন-নবাবপুর ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রাসেল (২৩), ইকবাল হোসেন (২৪) ও জাহিদুল ইসলাম (২১)। এর আগে ১৪ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের একটি এলাকায় নি’র্যা”তনের শিকার হয় ঐ ছাত্রী।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, নবাবপুর ইউনিয়নের স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীটি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসেন ও তাঁর দুই সহযোগী রাসেল এবং জাহিদকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিনিয়ত তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছে। তাদের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ইকবাল ছাত্রীটির স্কুল ব্যাগ ও হাত ধরে বেশ কয়েকবার টানাহেচড়া করে।

পরে ওই ছাত্রী তাঁর মা-বাবাকে বিষয়টি জানায়। তাঁরা বিষয়টি বখাটের বাবা মাকে অবহিত করে। ফলে সে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে ছাত্রীর মাকে মা”রধর করে। এমনকি সে ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় সড়ক থেকে অ”পহ’রণ করারও হু’মকি দেয়।

গত ১৪ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে ওই ছাত্রী তার ঘরে ছিলেন। এসময় বখাটে ইকবাল হোসেন তাঁর সহযোগী রাসেল ও জাহিদকে নিয়ে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ছাত্রীকে কথা আছে বলে ডাক দেয়। তার ডাকে সাড়া না দেওয়ায় ঘরে ঢুকে ছাত্রীর মায়ের সামনে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করে।

একপর্যায়ে ছাত্রীর হাত ধরে টেনে-হেচড়ে শ্লী”লতা’হানি করার চেষ্টা করে। এসময় বাঁধা দিলে ওই ছাত্রীর মাকে লা”ঞ্চিত করে বখাটেরা। পরে তাঁদের শোর চিৎকারে অনেকে এগিয়ে আসলে বখাটেরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

ছাত্রীর মা বলেন, বখাটে ইকবাল ও তাঁর সহযোগীদের যন্ত্রণায় তাঁরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন। তাঁর কুপ্রস্তাবের কারনে মেয়েটি বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি বখাটেদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন।

সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বখাটেরা পলাতক রয়েছে। তাঁদেরকে গ্রে”প্তা’র করতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভি’যান চালিয়ে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *