অন্যান্য

অক্সিজেনে কালভার্ট নির্মাণে ধীরগতি, চরম ভোগান্তিতে গণমানুষ

অক্সিজেন মোড় হয়ে হাটহাজারি সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার যান চলাচল করে। তবে নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক ও প্রবেশপথ দিয়ে যাতায়াতকারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অধীনে কালভার্ট নির্মাণ কাজে ধীর গতির অভিযোগ উঠেছে।

তবে রাস্তার বড় একটি অংশজুড়ে কালভার্ট নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় সড়কে যানজট লাগার মূল কারন বলছে কতৃপক্ষ। এতে সড়ক ব্যবহারকারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে, জটিলতা কাটিয়ে আগামী দু’মাসের মধ্যে কালভার্ট নির্মাণের কাজ শেষ হবে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

আর ক’দিন পরেই বর্ষা আসছে। বর্ষা আসার আগেই যদি কাজ শেষ না হয়, দুর্ভোগের শেষ থাকবে না সড়ক ব্যবহারকারীদের। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রায় দুই বছর ধরে কালভার্টটি নির্মাণের কাজ চলছে। কাজের ধীরগতি হওয়ায় এখনো কাজ শেষ হচ্ছে না। এর ফলে এই সড়ক ব্যবহারকারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহেদ ইসলাম বাবু জানান, নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথ অক্সিজেন মোড়। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যান চলাচল করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক বেহাল দশায় পড়ে আছে। কালভার্টের কাজ শেষ না হওয়ায় এলাকাবাসী ও এই সড়ক ব্যবহারকারীদের প্রচুর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জানতে চাইলে জলাবদ্ধতা প্রকল্পের পরিচালক ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন বিগ্রেড লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহ আলী বলেন, কালভার্টের নিচে ওয়াসা, জাইকা, গ্যাসের লাইন ছাড়াও সড়কের উপরে বৈদ্যুতিক লাইন ছিল। যার কারণে সেখানে কাজ করতে আমাদের অতিরিক্ত সময় লেগেছে। সবকিছু ম্যানেজ করা গেলেও ওয়াসার লাইন সরানো যাচ্ছে না। আমরা ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে পাইপ সরানোর কথা বললে, তারাও এই পাইপ সরাতে পারবে না বলে জানায়।

তিনি আরো বলেন, পরবর্তীতে পাইপ না সরিয়ে আমরা কাজ করেছি। এই কালভার্টে কাজ করতে গিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখিন হতে হয়েছে। তবে আমরা এখন আশা করছি আর মাস দু’য়েক এর মধ্যে কালভার্টের নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *