স্বাস্থ্য ও সচেতনতা

আইবিএস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় ও আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা

আইবিএস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় ও আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা

বর্তমান সময়ে খুবই মারাত্মক একটি রোগের নাম আইবিএস। ছোট থেকে শুরু করে প্রায় সকল বয়সী মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দিন দিন আইবিএস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আইবিএস রোগকে কখনো নির্মূল করা যায় না। কিন্তু আপনি চাইলে আইবিএস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

তাই আপনাদের সুবিধার জন্য আজকে আমরা আইবিএস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় ও আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা, আইবিএস রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করব। আপনি যদি আইবিএস রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে চান। তাহলে আজকের আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

সূচিপত্রঃ আইবিএস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় ও আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা

  1. আইবিএস বা ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম কী?
  2. আইবিএস কত প্রকার
  3. আইবিএস এর লক্ষণ
  4. আইবিএস এর কারণ
  5. আইবিএস রোগীদের মারাত্মক অবস্থা
  6. আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা
  7. আইবিএস থেকে মুক্তির উপায়
  8. আইবিএস এর ঘরোয়া চিকিৎসা

আইবিএস বা ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম কী?

আইবিএস বা ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম কী

আইবিএস বা ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম আসলে দীর্ঘমেয়াদি পেটের পীড়া। খাদ্যনালির সমস্যা। দীর্ঘদিন ধরে রোগীরা এই সমস্যায় ভোগে। রোগীরা এসে অভিযোগ করেন মাঝে মাঝে পেট ব্যথা, পেট ফাঁপা, মলত্যাগের ধরন পাল্টে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হয়। মলের ধরনও পাল্টে যায়। হয়তো আগে স্বাভাবিক পায়খানা হতো এখন বেশি নরম হয়ে যাচ্ছে, অথবা বেশি শক্ত হয়ে যাচ্ছে।

এই সমস্যা সাধারণত যুবা বয়সেই শুরু হয়ে থাকে। নারীরাই বেশি ভুগে থাকেন। যাঁরা সব সময় উদ্বিগ্ন বা মানসিক চাপে থাকেন, তাঁরা এতে বেশি ভোগেন।

আইবিএস কত প্রকার

আইবিএস কত প্রকার ও কি কি

১. পেট ব্যথা

২.পেট ফাঁপা

৩.পেটে অস্বস্তি

৪.আমাশয়

৫.পাতলা পায়খানা

৬.কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি।

আইবিএস এর লক্ষণ

আইবিএস এর লক্ষণ

নিয়মিত পেটে অস্বস্তি

তলপেটে ব্যথা এবং এর সাথে ডায়ারিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা উভয়ই যদি দেখা যায় তাহলে এটা IBS এর লক্ষণ। এটা রোগীর জীবনে বেশ বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

কিছু খাবার খাওয়ার পর আপনার গ্যাস হয়

কিছু খাবার আছে যেমন অ্যাভোকাডো, ডাল, পাউরুটি, দুধ, রসুন অথবা কোমল পানীয়- যা খাওয়া বা পানের পরে রোগীর খুব গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। এসব খবার পেটের সমস্যা তৈরী করে। এরা অন্ত্রে পানি টেনে আনে আর এগুলো বেশি খেলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া এদেরকে পুরোপুরিভাবে হজম করতে পারে না। ফলে গ্যাস হয়।

ছোটবেলায় আপনার ঘন ঘন পেট ব্যথা হতো

যাদের IBS থাকে তাদের কিছু শতাংশ ছোটবেলায় পেটব্যথার শিকার হতেন ছোটখাটো কারণেই। ফলে পেটের ওই জায়গাগুলো সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে তাদের IBS দেখা দিতে পারে।

আপনি প্রায়ই ক্লান্ত থাকেন

IBS এর একটি সাধারণ লক্ষণ হলো ফ্যাটিগ বা অবসাদ। কোনো কোনো রোগীর সারা শরীরে ইনফ্লামেশন থাকে, ফলে তারা ক্লান্ত থাকেন সব সময়েই।

এছাড়াও IBS এর আরও কিছু লক্ষণ রয়েছে। যেমনঃ

১.বুক জ্বালা

২.বদহজম

৩.মাথাব্যথা

৪.পিঠে ব্যথা

৫.কোমরে ব্যথা

৬.মলের সাথে মিউকাস যাওয়া

৭.মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন

৮.হুট করে প্রচন্ড বেগ চাপা

৯. মলত্যাগের পরেও পেট খালি হয়নি এমন অনুভূতি

১০.পায়খানার সঙ্গে রক্ত পড়ে

১১.শরীরের ওজন কমে যায় এবং

১২.নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক চলাকালীন কিংবা মিলনের সময় ব্যথা

১৩. হঠাৎ পায়খানার ঘনত্বের পরিমাণ কমে যায়

কিছু কিছু মানুষের IBS হবার ঝুঁকি থাকতে পারে বেশি। IBS এর রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো হলো-

  • ছোটবেলায় বেশি অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া হলে
  • খুব স্ট্রেসে থাকলে
  • ফাইব্রোমায়ালজিয়া সমস্যাটি থাকলে
  • পরিবারের কারও IBS থাকলে
  • আপনি নারী এবং আপনার বয়স ৫০ এর কম হলে

আইবিএস এর কারণ

আইবিএস এর কারণ কেন হয়

পরিপাকতন্ত্রের এই বিশেষ রোগ নিয়ে গবেষণার কোনো অন্ত নেই। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই রোগের কোনো স্বীকৃত কারণ পাওয়া যায়নি বলে একে ফাংশনাল ডিসঅর্ডারও বলা হয়। তবে আইবিএস এর কারণ ও প্রভাবক হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা অনেক বিষয়কে চিহ্নিত করেছেন। এগুলোকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়ঃ মনঃসামাজিক ও শারীরবৃত্তীয়।

মনঃসামাজিকঃ মনঃসামাজিক কারণের মধ্যে আছে দুশ্চিন্তা ও হতাশা। এ ছাড়া হঠাৎ অতিরিক্ত মানসিক চাপও আইবিএসকে প্রভাবিত করে। দেখা গেছে, আইবিএসে আক্রান্ত রোগীরা অল্প সমস্যা হলেই মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে, তারা পরিস্থিতি সহজে মানিয়ে নিতে পারে না।

শারীরবৃত্তীয়ঃখাদ্যনালীর অতি সংবেদনশীলতা, খাদ্যনালীর নাড়াচাড়ার অস্বাভাবিকতা বা অন্ত্র থেকে মস্তিষ্কে পাঠানো বার্তায় ত্রুটি।

  • অন্ত্রের প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরিবর্তন, অন্ত্রের নিজস্ব জীবাণুর পরিবর্তন।
  • হরমোনজনিত
  • খাদ্যনালীর কোনো সংক্রমণ ইত্যাদি।

আইবিএস রোগীদের মারাত্মক অবস্থা

আইবিএস রোগীদের মারাত্মক অবস্থা

অবিবাহিতরা বিয়ে করার খমতা হারিয়ে ফেলে।

বিবাহিতদের যৌন খমতা হারিয়ে ফেলে।

মেজাজ অলটাইম খিটমিটে থাকে।

কাজের প্রতি অনিহা ।

কারো অধীনে চাকুরী করার মানসিকতা থাকে না।

একটুতেই মেজাজ গরম হয়ে যাবার কারনে পরিবারে অশান্তি বিরাজ করে।

সবকিছু পেয়েও যেন পৃথিবীতে নিজেকে অসহায় মনে হয়।

অনেকে কর্ম হারায় বিদেশে থাকতে পারে না।

দীর্ঘদিন এই রোগে ভুগলে নার্ভের সমস্যা হয়।

কোমরে ব্যথা অনুভত হয়।সাথে শরীরে বাথ্যা করে।

কারো ক্ষেত্রে মাসে ২/৩ বার পাতলা পায়খানা যেতে পারে।এটা দিনে ৮/১০বারও হতে পারে।

রীরের ওজন কমে যায়।

রোগা রোগা ভাব মনে হয়।

খাবার খেতে ভয় হয় যদি বাতরুমে যেতে হয় ইত্যাদি।

আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা

আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা

আইবিএসের লক্ষণ দেখা দিলে রেজির্স্টাড ডাক্তারের পরামর্শ নিন!

নিচে আমরা আইবিএস রোগীর সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের তালিকা নিয়ে আলোচনা করবোঃ

আইবিএস রোগীর সকালের খাবার

প্রতিদিন সকালে নিচে দেওয়া ফল গুলোর মধ্যে যেকোনো একটি ফল খাবেন। এক সাথে দুই ধরনের ফল খাওয়া যায় না। নিচের ফল গুলো দেখুনঃ

১.রুটি/ আইবিএস পাউডার( IBS POWDER) দিয়ে

২.কমলা ১টি

৩. পেয়ারা ১টি

৪.মাল্টা ১ টি

৫.কলা ৩/৪ টি

উপরে যেই ফল গুলোর নাম বলা হয়েছে সেগুলো একসাথে দুইটা খাওয়া যাবে না। শুধু এক ধরনের ফল খাওয়া যাবে।

আইবিএস রোগীর দুপুরের খাবার

দুপুরে শুধুমাত্র ১প্লেট গরম আলোচাউলের ভাত খাবেন। বিকাল ৪/৫টার দিকে রুচি মতো একটা ফল খাবেন। তবে একটা কথা খেয়াল রাখবেন উপরে যে ফল গুলো সকালে খাওয়ার জন্য বলা হয়েছে সেগুলো খেতে পারবেন না বিকালে।( কমলা,পেয়ারা,মাল্টা, কলা)

আইবিএস রোগীর রাতের খাবার

রাতে শুধু গরম গরম ভাত খাবেন। রাতে ঘুমানোর ২/৩ ঘন্টা আগে নিয়মিত ১ প্লেট গরম ভাত খাবেন। অবশ্যই ভাত খাওয়ার ২-৩ ঘন্টা পর ঘুমাবেন।

রাতে যে খাবার গুলো খাবেন নাঃ

১.মশুর ডাল

২.কাচা টমেটো,শসা

৩.নারিকেল

৪.আপেল

৫.আংগুর

৬.বাদাম

৭.শিম

৮.পাতা কপি

আইবিএস থেকে মুক্তির উপায় ও চিকিৎসা

জেনে নিন, আইবিএস থেকে মুক্তির উপায়
  • নিয়মিত সালাত আদায় ও কুরআন পড়বেন।
  • টেনশন মুক্ত থাকবেন।
  • ফিল্টার বা ভালো ভাবে ফুটিয়ে পানি পান করুন।
  • শুকনা মরিচ+টমেটো +ধনিয়া পাতা পরিহার করুন।
  • আলো চাউলের ভাত খাবেন।
  • লিকার চা খাবেন দিনে ২/১টি।( বিশেষ প্রয়োজনে)ফোনে জেনে নিবেন।
  • গ্লুটেন্ট+ক্যাসিন+ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করবেন।
  • সবার কথা বাদ দিন, আপনি ভালো হবেন এটা মনে রাখুন।
  • খাবারের সময় পেটের তিনভাগের এক ভাগ খান।
  • খাবারের ৩০মিনিট আগে পরে পানি পান করুন।
  • নিয়মিত ব্যয়াম করুন
  • খাবারের পর ২০মিনিট হাঁটুন।
  • রাত্রে ঘুমানোর ২/৩ঘন্টা আগেই খাবার শেষ করুন।
  • ঘুমানোর সময় আদা এক টুকরা/কাচা হলুদ এক টুকরা বা অল্প পরিমান মধু একগ্লাস পানিতে দিয়ে পান করুন।একসাথে সব খাবেন না।
  • ঘুম থেকে উঠেই কুলি না করেই এক গ্লাস পানি পান করুন(ফিল্টারিং)
  • খিতে লাগলে হাতের কাছে মুড়ি/চিড়া রাখুন ২/১মুট খান।পরে পানি পান করুন।
  • ত্রিফলা রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালিপেটে পানি পান করুন।

আইবিএস এর ঘরোয়া চিকিৎসা

আইবিএস এর ঘরোয়া চিকিৎসা

রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে ঘরোয়া চিকিৎসাই অন্যতম। কারণ ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে খুব সহজে রোগ প্রতিরোধ করা যায়। নিচে আইবিএস এর ঘরোয়া চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ

নিয়মিত ব্যায়াম করা

আইবিএস থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ব্যায়াম করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করলে নানা প্রতিরোধ করা যায়।

ক্যাফেইন ত্যাগ করুন

আইবিএস দূর করতে প্রয়োজন সুস্থ পাকস্থলি। এ জন্য ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল ত্যাগ করা উচিত। পরিবর্তে সন্ধান করুন প্রাকৃতিক পানীয় বা ফলের জুস।

শাকসবজি কাটার পর না ধোয়া

শাকসবজি কাটার পর ধোবেন না, ফলমূলের খোসা ছাড়াবেন না অনেক শাকসবজি এবং ফলমূলের খোসায় প্রচুর পুষ্টি থাকে যা আপনার পেটের জন্য ভালো কাজ করে। তাই হজম ক্রিয়া সহজ করতে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেতে শাকসবজি কাটার আগে ধুয়ে নিন। কাটার পর আর ধোবেন না। আর যেসব ফলমূলের খোসায় পুষ্টি থাকে তা খোসাসহ গ্রহণ করুন।

দ্রবণীয় ফাইবার অন্তর্ভুক্ত করুন

ফাইবার হজম-বান্ধব। প্রথমেই আপনি সঠিক ফাইবার নির্বাচন করুন। দ্রবনীয় ফাইবারের উচ্চ ঘনত্বযুক্ত এবং অদ্রবণীয় কম- এমন আরো খাবার সন্ধানের চেষ্টা করুন। ভালো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন গাঁজর, সেলারি, সাইট্রাস ফল, মটরশুটি, রোলড ওট, বার্লি এবং এমনকি কিছু ধরণের বাদাম এবং বীজ। সাইকেলিয়াম পাউডার এবং গ্লুটামিন যুক্ত করার মতো প্রাকৃতিক পরিপূরক আকারেও আপনার ফাইবারের প্রয়োজনীয়তা পূরণের চেষ্টা করতে পারেন।

প্রোবায়োটিকস

স্বাস্থ্যকর অন্ত্র বজায় রাখতে প্রোবায়োটিকগুলো প্রয়োজনীয়। যদি আপনার জ্বালাময়ী অন্ত্রের লক্ষণগুলো এখনও আপনার সমস্যা অব্যাহত রাখে, এমনকি আপনার সিস্টেম পরিষ্কার করার পরও, তবে প্রোবায়োটিকগুলো আপনাকে এ সমস্যা থেকে উদ্ধার করবে। পাচনতন্ত্রকে শান্ত করবে।

মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন

মানসিক চাপ কমাতে হবে প্রয়োজনে মানসিক রোগের ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

ভাজাপোড়া খাবার ত্যাগ করুন

ভাজাপোড়া, ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা

মাখন

আইবিএস রোগীদের ক্ষেত্রে নিয়মিত মাখন খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। মাখনের স্যাচুরেটেড ফ্যাট নিয়ে কিছুটা ভয় থাকলেও এর উপকারিতা কিন্তু অনেক। মাখন খেলে তা আমাদের কোষের মেমব্রেন মজবুত করতে, লিভারের কার্যকারিতা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে ও হাড়ের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই মাখন আইবিএস রোগীদের জন্য কার্যকরী একটি খাবার। রুটি বা চাপাতির সঙ্গে মাখন মিশিয়ে খাবেন।

কলা

কলা একটি উপকারী ফল একথা সবারই জানা। পাকা কলা রেসিস্ট্যান্ট স্টার্চ শর্করায় পরিবর্তিত হতে থাকে। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ থাকে অনেক বেশি। কলা খেতে সুস্বাদু এবং সেইসঙ্গে পুষ্টিকরও। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি করে কলা রাখবেন। পেট খারাপের সমস্যায় ভুগলে খেতে পারেন কাঁচা কলা। কলায় থাকে পটাশিয়াম, মিনারেল ও ভিটামিন সি। এটি স্বাস্থ্যকর একটি ফল।

উপসংহারঃ

এই ছিল আজকে আইবিএস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় ও আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা নিয়ে আমাদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা। আইবিএস রোগকে আপনি যদি নিয়ন্ত্রণ করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে উপরের নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে।

এজন্য আপনাদের সামনে আজকে আমরা আইবিএস বা ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম কী?, আইবিএস কত প্রকার, আইবিএস এর লক্ষণ, আইবিএস এর কারণ, আইবিএস রোগীদের মারাত্মক অবস্থা, আইবিএস রোগীর খাবার তালিকা, আইবিএস এর ঔষুধ, আইবিএস থেকে মুক্তির উপায়, আইবিএস এর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা, আইবিএস এর ঘরোয়া চিকিৎসা প্রকাশ করেছি। আশা করি আমাদের এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে এবং আপনারা উপকৃত হবেন। এই ধরনের আরও নতুন নতুন পোস্ট পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন, ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *