স্বাস্থ্য ও সচেতনতা

ডায়রিয়া হলে করণীয় এবং ডায়রিয়া হলে কি খাবেন

ডায়রিয়া হলে করণীয় এবং ডায়রিয়া হলে কি খাবেন

প্রিয় পাঠক, আসসালামু আলাইকুম। এই পোস্টে আমরা ডায়রিয়া হলে করণীয় এবং ডায়রিয়া হলে কি খাবো সেই সম্পর্কে আলোচনা করবো। দিনে দিনে গ্রীষ্মের তাপদহ অসহনীয় হয়ে উঠছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে ডায়রিয়া ও আমাশয় জনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে।

বিভিন্ন কারণে মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। দূষিত পানি পান করা এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারগ্রহণ এর অন্যতম প্রধান কারণ। ডায়রিয়া রোগ সম্পর্কে কোনো সঠিক ধারণা না থাকার কারণে মানুষ এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। এখন আমরা ডায়রিয়া হলে করণীয় এবং ডায়রিয়া হলে কি খাবো এ বিষয়ে জানবো।

সূচিপত্রঃ

১.ডায়রিয়া কি

২.ডায়রিয়ার বিভিন্ন প্রকার কি কি

৩.ডায়রিয়ার লক্ষণ

৪.ডায়রিয়া হলে করণীয়

৫.ডায়রিয়া হলে কি খাওয়া উচিত এবং কি খাওয়া উচিত নয়

৬.শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার কারণ

৭. শিশুদের ডায়রিয়া হলে কি খাওয়া উচিত

৮.ডায়রিয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা

ডায়রিয়া কি

ডায়রিয়া কি

ডায়রিয়া হল একটি পরিপাকতন্ত্রের ব্যাধি যেখানে একজন ব্যক্তির আলগা, জলযুক্ত মল এবং আরও ঘন ঘন মলত্যাগ হয়। ডায়রিয়া সাধারণত বর্ষাকালে হয়, তবে অন্যান্য ঋতুতেও হতে পারে। এটি সাধারণত এক থেকে তিন দিন স্থায়ী হয় এবং নিজে থেকেই চলে যায়।

গুরুতর ডায়রিয়া ডিহাইড্রেশনের মতো বিভিন্ন জটিলতার কারণ হতে পারে, যা মলের সাথে ইলেক্ট্রোলাইট এবং জলের ক্ষতির কারণে ঘটে। ডিহাইড্রেশন সময়মতো সমাধান না করলে জীবন-হুমকি হতে পারে।

ডায়রিয়ার বিভিন্ন প্রকার কি কি

ডায়রিয়ার বিভিন্ন প্রকার

বিভিন্ন ধরনের ডায়রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

তীব্র ডায়রিয়া:

এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ডায়রিয়া। এটি এক থেকে দুই দিন স্থায়ী হয় এবং সাধারণত কয়েকদিন পর কোনো চিকিৎসা ছাড়াই নিজে থেকেই চলে যায়।

ক্রমাগত ডায়রিয়া:

এই ধরনের ডায়রিয়া প্রায় দুই থেকে চার সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে।

দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া:

দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া চার সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয়, বা ডায়রিয়া দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়মিতভাবে দেখা দেয় এবং অদৃশ্য হয়ে যায়।

ডায়রিয়ার লক্ষণ

ডায়রিয়ার লক্ষণ
  • হঠাৎ করে পায়খানা লাগা।
  • পায়খানা লাগলে দ্রুত টয়লেটে যাওয়া বা অপেক্ষা করতে না পারা।
  • পায়খানা নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারা। অনেকসময় পোশাকে পায়খানা লেগে যেতে পারে।
  • তলপেটে কাঁমড় বা তীব্র ব্যাথা অনুভব করা।
  • বমি-বমি ভাব থাকা। অনেক সময় বমি-বমি ভাব নাও থাকতে পারে।
  • শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া।
  • সংক্রমণের কারণে ডায়রিয়া হলে আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে :
  • পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া।
  • জ্বর হওয়া এবং ঠাণ্ডা লাগা।
  • হলকা মাথা ব্যাথা/ মাথা ঘোরা।
  • বমি হওয়া বা বমি-বমি ভাব থাকা।
  • শিশু-কিশোরদের মধ্যে ডায়রিয়ার লক্ষণঃ
  • ঘণ ঘণ পিপাসা পাওয়া।
  • স্বাভাবিকের চেয়ে কম প্রস্রাব হওয়া। একটানা ৩ ঘন্টা বা তার বেশি সময় ধরে প্রস্রাব না হওয়া।
  • শারীরিক দুর্বলতা।
  • মুখ শুষ্ক দেখানো।
  • শিশুর কান্নার সময় চোখে পানি না থাকা।
  • ত্বকের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া বা কুচকে যাওয়া।

ডায়রিয়া হলে করণীয়

ডায়রিয়া হলে করণীয়

১. সাধারণ অবস্থায় ডায়রিয়া কয়েক দিনের মধ্যে চিকিৎসা ছাড়াই ভালো হয়ে যেতে পারে। শরীর খারাপের সময়টুকু বিশ্রামের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানীয় পান করতে হয় এবং অন্যান্য খাবারের সময় সতর্ক থাকতে হয়।

২. শরীরকে পানিপূর্ণ রাখার জন্য পরিষ্কার তরল পানি ও ফলের রস খেতে হবে। এ সময় দিনে প্রায় ২-৩ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। একবারে টান দিয়ে পুরো গলাধঃকরণের পরিবর্তে অল্প পরিমাণে চুমুক দিয়ে পান করা যেতে পারে।

৩. ডায়রিয়া হলে দেহকে পানিপূর্ণ রাখতে ডাক্তার লবণ, পটাসিয়াম এবং ক্লোরাইডের মতো স্পোর্টস পানীয়গুলো পানের পরামর্শ দিতে পারেন। ঘনঘন বমি বমি ভাব হলে ধীরে ধীরে তরলে চুমুক দিয়ে পান করা ভালো। এ সময়ের জন্য উপযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে আলু, চীনাবাদামের মাখন, টার্কির মাংস ও দই।

৪. যে খাবারগুলো ডায়রিয়া বা শরীরে গ্যাসের অবস্থা আরও খারাপ করে এমন খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। এগুলোর মধ্যে আছে চর্বিযুক্ত বা ভাজা খাবার, কাঁচা ফল এবং শাকসবজি, মসলাদার খাবার, মটরশুঁটি ও বাঁধাকপি এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়, যেমন: কফি ও সোডা।

৫. যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ছাড়াই শরীর উন্নতির দিকে যায় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডায়রিয়া ভালো হয়ে যায়। যদি উপসর্গ ২ দিনের বেশি সময় ধরে চলতে থাকে, তখন ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে কিছু উপসর্গ গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি অবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এগুলো হলো অবিরাম বমি, ক্রমাগত ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা, উল্লেখযোগ্য হারে ওজন হ্রাস, মলের মধ্যে পুঁজ ও রক্ত, কালো মল বের হওয়া ইত্যাদি।

৬. বাচ্চাদের ক্ষেত্রে যে উপসর্গগুলো অবিলম্বে চিকিৎসার দাবি রাখে সেগুলো হলো ২৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে ডায়রিয়া, জ্বর ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি, রক্ত ও পুঁজ মল এবং কালো মল।

৭. ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে ডায়রিয়া হলে ডাক্তার অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের কথা বলতে পারেন। অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার আগে ডাক্তার রোগীর কিছু শারীরিক অবস্থা নিরীক্ষা করবেন। সেগুলো হলো ডায়রিয়া তীব্রতা, পানিশূন্যতার তীব্রতা, রোগীর স্বাস্থ্যের সামগ্রিক অবস্থা, চিকিৎসা ইতিহাস, বয়স, এবং রোগীর বিভিন্ন পদ্ধতি বা ওষুধ সহ্য করার ক্ষমতা।

ডায়রিয়া হলে যা খাওয়া উচিত এবং যা খাওয়া উচিত নয়

ডায়রিয়া হলে কি খাওয়া উচিত ও কি খাওয়া উচিত নয়

ডায়রিয়া হলে যা খাবেন

জল:

ডায়রিয়া থেকে মুক্তি পাবার প্রথম উপায় হলো জল খাওয়া। ডায়রিয়ার কারণে আমাদের শরীর থেকে জল বের হয়ে যায়। যার কারণে শরীরে দুর্বলতা, বমি এবং মাথা ঘোরে।

তাই এর জন্য প্রয়োজন ঘন ঘন জল খাওয়া।

দই:

দইয়ের মধ্যে ভালো ব্যাকটেরিয়া যা ডায়রিয়া রোধ করতে সাহায্য করে। দইয়ের প্রোবায়োটিকস এই সময়ে পেট ঠাণ্ডা রাখে।

কলা:

ডায়রিয়া রোধ করার জন্য কলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া জল এবং পুষ্টি ফিরিয়ে আনতে কলার ভূমিকা রয়েছে। কলা খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। তাই এটি পেটের ব্যথাও দূর করে

খিচুরি:

ডায়রিয়া হলে ভাজা-পোড়া কিংবা বাইরের খাবার না খাওয়া ভালো। তাই ঘরেই তৈরি মুগ ডালের খিচুরি পেট ঠাণ্ডা রাখবে এবং শরীরে শক্তি যোগাবে।

আলু:

সামান্য লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে আলু সিদ্ধ করে খেলে বা ভর্তা করে খেলে ডায়রিয়া কমে যায়।

ফলের রস:

জলের পাশাপাশি কমলা, দাব, ডালিম কিংবা তরমুজের জুস আপনার শরীরে জলের মাত্রা ঠিক রাখবে এবং মাথা ঘোরানো থেকে মুক্তি দিবে।

ডায়রিয়া হলে যা খাবেন না

দুধ:

ডায়রিয়া থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত দুধ বা দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাবেন না। দুধ হজমে সমস্যা করে এবং এই সময় পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে বা গ্যাসট্রিকের সমস্যা হতে পারে। পনির, দুধ, মাখন জাতীয় খাবার এ সময় না খাওয়াই ভালো।

চা বা কফি:

ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় ডায়রিয়া হলে খাওয়া উচিত্‍ না। এই সময় চা বা কফি পেটের জ্বালা বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে এর পরিবর্তে আপনি আদা চা খেতে পারেন।

ঝাল বা তৈলাক্ত খাবার:

ডায়রিয়া হলে ডুবো তেলে ভাজা বা ঝাল মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ ঝাল বা ফ্রাই করা খাবার খেলে পেটে গ্যাস হবার সম্ভাবনা থাকে।

মদ্যপান:

ডায়রিয়ায় ভুগলে কিংবা পেটের যেকোনো সমস্যায় মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন। এতে হজমে সমস্যা বৃদ্ধি পায়।

ডায়রিয়া খুব বড় ধরনের রোগ নয়। তবে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না।

শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার কারণ

শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার কারণ

যেসব কারণে সবচেয়ে বেশি ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানার দেখা যায়, তার মধ্যে রয়েছে —

  • পেটে জীবাণুর আক্রমণ বা ইনফেকশন হওয়া। একে গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস ও বলা হয়। এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কয়েকদিনের মাঝে সেরে ওঠে।
  • নরোভাইরাস নামের ভাইরাসের আক্রমণ।
  • ফুড পয়জোনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়াও পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়ার একটি কমন কারণ।

এছাড়াও যেসব কারণে ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হতে পারে সেগুলো হলো—

  1. ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – যে কোন ঔষধের সাথে দেওয়া নির্দেশিকা পড়ে দেখবেন ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো কী।
  2. নির্দিষ্ট কোন খাবারে এলার্জি বা বিশেষ কোন খাবার সহ্য না হওয়া।
  3. সিলিয়াক ডিজিজ।

বাচ্চাদের ডায়রিয়া হলে কি খাওয়া উচিত

শিশুদের ডায়রিয়া হলে কি খাওয়া উচিত

শিশুকে বুকের দুধ বা বোতলের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যাবেন। শিশু বমি করলে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াতে পারেন।

তরল পানীয়ের মধ্যে চিড়ার পানি, ভাতের মাড়, কিংবা ডাবের পানি খাওয়া যেতে পারে। ভাতের মাড়ে সামান্য লবণ দিতে পারেন।

ফর্মুলা বা শক্ত খাবার খাচ্ছে এমন শিশুদের দুই বেলা খাবারের মাঝে ছোট ছোট চুমুকে পানি খাওয়াবেন।

শিশুকে প্রতি তিন-চার ঘণ্টা পর পর খাওয়াবেন। একবারে অনেক বেশী খাবার না দিয়ে বার বার অল্প অল্প করে খাওয়ানো শ্রেয়।

শিশুদের ফর্মুলা যে পরিমাণে নির্দেশনা দেওয়া আছে, সেভাবেই বানিয়ে খাওয়াবেন। তার চেয়ে পাতলা ফর্মুলা বানিয়ে বাচ্চাকে খাওয়াবেন না।

ডায়রিয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা

ডায়রিয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা

আদাঃ

আমাদের দেহের হজম শক্তি উন্নত করার জন্য খুব সহায়ক এবং ডায়রিয়া সারিয়ে তুলতে আদা খুব উপকারী। ১। এক চামচ আদা গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, দারুচিনি গুঁড়ো এবং মধু মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। প্রতিদিন ৩ বেলা এই পেস্টটি খান। ২। আদা চা বানিয়ে নিন। দিনে দুবার আদা চা পান করুন। ৩। যাদের হাই ব্লাড প্রেশার রয়েছে তাদের ডায়রিয়া হলে আদার যে কোন জিনিস না খাওয়াই উত্তম।

পানিঃ

ডায়রিয়া বা পেটের যে কোনো সমস্যায় পানি পান করা জরুরি। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। নুন ও চিনি মেশানো পানি পান করুন। হাতের কাছে রাখুন ওআরএস। দুদিনের বেশি সমস্যা স্থায়ী হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ক্যামোমাইল চাঃ

এক পেয়ালা ক্যামোমাইল চা পেটের যন্ত্রণা কমিয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে ডায়রিয়ার সমস্যা সারিয়ে তোলে। এর অ্যান্টি ইনফ্লেম্যাটরি উপাদান যকৃতের পেশীকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগারঃ

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারে আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ডায়রিয়া সমস্যা রোধ করতে সহায়ক। তাই ডায়রিয়া সমস্যায় ব্যবহার করতে পারেন এই ভিনেগার। ১। এক বা দুই চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন। ২। প্রতিদিন ২ বার এই পানীয়টি পান করুন দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য।

কলাঃ

ডায়রিয়া সমস্যা রোধ করতে কলাও খুব ভালো কাজ করে থাকে। কলার পেকটিন ও ক্যালসিয়াম ডায়রিয়া সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে থাকে। ১। একটি পাকা কলা পেস্ট করে নিন তারপর এর মধ্যে তেতুলের রস ও এক চিমটি লবণ দিয়ে নিন। এই পেস্টটি প্রতিদিন ২ বার খেয়ে নিন। ২। প্রতিদিন সকালে নাস্তার সময় ১/২ পাকা কলা খাওয়া খুব ভালো এবং এই ফলটি খাদ্য হজমে অনেক সাহায্য করে।

পুদিনা পাতাঃ

বমি ও পেটের সমস্যায় ব্যবহার করুন পুদিনা পাতা। পুদিনা পাতার পিপারমিন্ট যকৃতের সমস্যা দূর করে। এর পাতায় থাকা মেন্থল যন্ত্রণা উপশম করে।

শেষ কথাঃ বন্ধুরা, আপনারা যদি ডায়রিয়া হলে কি করণীয় এবং ডায়রিয়া হলে কি খাবেন-সেই সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমাদের পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে ডায়রিয়া সম্পর্কে
সম্পূর্ণ ধারণা পেয়ে যাবেন। আজকে আমরা আমাদের পোস্টটে ডায়রিয়া কি, ডায়রিয়ার বিভিন্ন প্রকার কি কি, ডায়রিয়ার লক্ষণ, ডায়রিয়া হলে করণীয়, ডায়রিয়া হলে যা খাওয়া উচিত এবং যা খাওয়া উচিত নয়, শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার কারণ, শিশুদের ডায়রিয়া হলে কি খাওয়া উচিত, ডায়রিয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করি আমাদের পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে এবং আপনারা উপকৃত হবেন। এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এই ধরনের আরও নতুন নতুন পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *